প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 17, 2026 || প্রকাশের তারিখঃ Jan 19, 2026
হলফনামা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ভোলা-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মুফতি মাওলানা ফজলুল করিমের হলফনামা নিয়ে সামাজিক মাধ্যেমে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তার হলফনামায় ভোটার আইডি কার্ড নম্বরসহ সব তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রিন্টিংয়ের সময় বয়স সংক্রান্ত একটি টাইপিং ত্রুটি হয়েছে, যাকে কেন্দ্র করে একটি মহল অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।
ইয়ামিন নামের এক জামায়াত নেতা দাবি করেন, বয়স এক–দুই বছর কম-বেশি হওয়ার সঙ্গে কোনোভাবেই হলফনামার বৈধতা বা অবৈধতার প্রশ্ন জড়িত নয়। অথচ একটি টাইপিং ভুলকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর্কে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদের বিষয়ে বলা হয়, মাওলানা ফজলুল করিম যে কৃষিজমি ক্রয় করেছেন, তার পাশেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে—ক্রয়ের সময় ওই জমির প্রতি শতাংশের মূল্য ছিল ২০ হাজার টাকা। বর্তমানে জমির মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টিকে সামনে এনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
এছাড়া তিনি তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা স্বর্ণের পরিমাণও স্বচ্ছভাবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে কত ভরি স্বর্ণ রয়েছে তাও পরিষ্কারভাবে লেখা আছে।
সামাজিক মাধ্যমে তার সমর্থকরা আরও জানান, মাওলানা ফজলুল করিম ভোলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোলা আলিয়া মাদ্রাসার একজন অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরে সেখান থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি যে পরিমাণ আয় করেন, ঠিক সেই অনুযায়ীই তার ব্যয়ের হিসাব হলফনামায় উপস্থাপন করা হয়েছে।
তারা বলেন, একজন শিক্ষক যদি মাসিক ২০ হাজার টাকা আয় করেন, তবে তার ব্যয়ও সেই আয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে—এর বাইরে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই।
সমর্থকদের মতে, যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অন্যের স্বচ্ছ ও হালাল আয়ের হিসাব সহ্য করতে না পেরে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তারা মূলত নিজেদের হতাশা আড়াল করতেই এ ধরনের বয়ান তৈরি করছে।